সিডির রাজকীয় প্রত্যাবর্তন: রেট্রো ফ্যাশনে ঝুঁকছেন গানপ্রেমীরা
ডিজিটাল স্ট্রিমিংয়ের চরম জনপ্রিয়তার যুগেও প্রযুক্তিকে পেছনে ফেলে নিজেদের পুরোনো আবেদন ফিরিয়ে এনেছে গান শোনার সিডি বা কম্প্যাক্ট ডিস্ক। ভিনাইলের পর নতুন করে সিডির এই অভাবনীয় প্রত্যাবর্তনে চলতি ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে যুক্তরাষ্ট্রে গান বিক্রির সর্বমোট রাজস্বে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।
সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংগীতাঙ্গনের শীর্ষ সংস্থা 'রেকর্ডিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা' প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।
ফিজিক্যাল মিউজিকে আয়ের জোয়ার
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রে গান বিক্রির মোট রাজস্ব গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
ডিজিটাল অ্যাপের বাইরে সরাসরি ক্যাসেট, ভিনাইল ও সিডির মতো ফিজিক্যাল মিডিয়াগুলো থেকে সার্বিক আয় ২৫ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৭৩ কোটি ১৫ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই আয়ের মূল অনুঘটক ছিল সিডি বিক্রি, যা এক লাফে ৫৮ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ঐতিহ্যবাহী ভিনাইল রেকর্ড বিক্রি থেকেও আয় বেড়েছে ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ।
স্ট্রিমিং বাজার ও বৈচিত্র্যময় ভবিষ্যৎ
ফিজিক্যাল মিডিয়াগুলোর বিক্রি ব্যাপকভাবে বাড়লেও বাজারে এখনো প্রধান উৎস হিসেবে শীর্ষে রয়েছে অনলাইন স্ট্রিমিং সেবা। বছরের প্রথম ছয় মাসে স্ট্রিমিং খাত থেকে আয় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৪৯০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে কেবল পেইড বা প্রিমিয়াম গ্রাহকদের সাবস্ক্রিপশন থেকেই এসেছে ৩৪০ কোটি ডলার।
সংগীতাঙ্গনের শীর্ষ গবেষণা কর্মকর্তারা জানান, অনলাইন স্ট্রিমিংয়ের পাশাপাশি সিডির এই হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি সংগীত বাজারে একটি সুস্থ ও বৈচিত্র্যময় পরিবেশ তৈরি করেছে, যা শিল্পীদের নতুন করে অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি শ্রোতাদের গান শোনার অভিজ্ঞতায় এক নতুন মাত্রা যুক্ত করছে।
সিডি প্লেয়ার খুঁজছেন?
ডিজিটাল স্ট্রিমিংয়ের যুগেও সিডির আবেদন শেষ হয়ে যায়নি, তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে এই প্রতিবেদনটিতে। গানপ্রেমীদের সেই আবেদন আমরাও ভুলি নাই। তাই মাল্টিমিডিয়া কিংডমে পেয়ে যাবেন শানলিং, এসএমএসএল, ফিও, ইয়ামাহা ও ফোসি অডিওর বিভিন্ন সিডি প্লেয়ার ও সিডি। ফলে পুরোনো সিডি সংগ্রহকে আধুনিক হাই-ফাই অডিও ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে আগ্রহী শ্রোতারা আজই যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে।