ব্ল্যাক-অ্যান্ড-হোয়াইট বা মনোক্রোম ই-ইঙ্ক ডিসপ্লে প্রযুক্তি নীরবেই ডিজিটাল পাঠকদের কাছে আবারও সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হয়ে উঠছে। তবে হার্ডওয়্যারে রাতারাতি বিশাল কোনো পরিবর্তন আসার কারণে এমনটি হয়নি, বরং বাজারটি সুস্পষ্ট দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ার কারণেই এই নতুনত্ব এসেছে। 

মূলধারার বাজারে এখন গুটিকয়েক বিশ্বস্ত ডিভাইসের আধিপত্য, যেগুলোতে মিলছে দীর্ঘমেয়াদি আপডেটের সুবিধা। অন্যদিকে সাশ্রয়ী দামের বাজারে ছোট ছোট নির্মাতারা পকেট সাইজের রিডার নিয়ে হাজির হয়েছে, যা নামীদামি ব্র্যান্ডগুলোকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ করছে। বর্তমানে মনোক্রোম ই-রিডার কিনতে যাওয়া যে কারও জন্যই এই দুটি জগতের যেকোনো একটিকে বেছে নেওয়ার সময় এসেছে।

মনোক্রোম ই-রিডারের বাজারে ঠিক কী পরিবর্তন এসেছে
যেকোনো ডিভাইস বেছে নেওয়ার আগে দুটি বড় পরিবর্তন সম্পর্কে জেনে নেওয়া জরুরি, কারণ এক বছর পর আপনার কেনা ডিভাইসটির উপযোগিতা কেমন হবে, তা এর ওপরই নির্ভর করছে। 

প্রথম পরিবর্তনটি হলো, মূলধারার মনোক্রোম ডিভাইসের পরিসর ছোট হয়ে এসেছে। কোবো (Kobo) এখন তাদের পুরো লাইনআপকে কালার ই-ইঙ্কের দিকে সরিয়ে নিয়ে শুধু কোবো ক্লারা বিডব্লিউ (Kobo Clara BW) নামে একটিমাত্র একবর্ণের মডেল বিক্রি করছে। যদিও বাজারে এখনও তাদের বেশকিছু পুরনো মডেল পাওয়া যাচ্ছে। 

অ্যামাজনের মনোক্রোম রিডারগুলোও ২০২৪ সালের সংস্করণের ওপর ভিত্তি করেই চলছে। শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলো এখন আর দ্রুত নতুন মডেল আনার প্রতিযোগিতায় নেই, বরং তারা ইকোসিস্টেম ও দীর্ঘমেয়াদি সাপোর্ট দেওয়ার দিকেই বেশি নজর দিচ্ছে। 

দ্বিতীয় পরিবর্তনটি হলো, কম বাজেটের রিডারগুলো এখন অবিশ্বাস্য রকম উন্নত হয়েছে। ছোট প্রস্তুতকারকরা এখন ফ্রন্ট লাইট ও মানানসই প্যানেলসহ এমন সব সাশ্রয়ী ডিভাইস আনছে, যা বড় ব্র্যান্ডগুলো কল্পনাই করে না। যদিও এসব ডিভাইসে অনেকক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি বা দীর্ঘমেয়াদি সফটওয়্যার আপডেটের নিশ্চয়তা থাকে না, তবে দামের পার্থক্যের কারণে হার্ডওয়্যারের এই ঘাটতি এখন অনেকটাই মেনে নেওয়ার মতো। 

যারা সাদা-কালো নাকি রঙিন ডিসপ্লে কিনবেন তা নিয়ে দ্বিধায় আছেন, তাদের জেনে রাখা ভালো- রঙিন ই-ইঙ্ক স্ক্রিনে কালার পেলেও টেক্সটের কনট্রাস্ট ও শার্পনেস কিছুটা কমে যায়, যা শুধু বই পড়ার ক্ষেত্রে খুব একটা সুখকর অভিজ্ঞতা দেয় না।

কিণ্ডল পেপারহাইট 
যারা ব্র্যান্ড এবং প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির পাঠক, একটি নির্দিষ্ট ইকোসিস্টেমে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাদের অধিকাংশের জন্য এখনো সবচেয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত হলো কিণ্ডল পেপারহাইট (Kindle Paperwhite)। চমৎকার স্ক্রিন, ফ্রন্ট লাইট নিয়ন্ত্রণ, ব্যাটারি লাইফ এবং বিশাল ই-বুক স্টোরের এমন দারুণ সমন্বয় অন্য কোথাও পাওয়া কঠিন। 

যদিও এর কিছু দুর্বলতা রয়েছে, যেমন- নির্দিষ্ট ফরম্যাটের বাইরে বই পড়ার বাধ্যবাধকতা এবং অ্যামাজনের নিজস্ব ইকোসিস্টেমে আটকে থাকা। তবে সাধারণ পাঠকের কাছে এর স্থায়িত্ব ও নির্ভরযোগ্যতার কাছে এসব ঘাটতি তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না। 

তবে কেনার ক্ষেত্রে বর্তমান সময়টি কিছুটা গোলমেলে। ২০২৬ সালের শেষের দিকে অ্যামাজন তাদের পেপারহোয়াইট, সিগনেচার এডিশন এবং বেস মডেলসহ পুরো কিণ্ডল পরিবারকে ঢেলে সাজাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই বই পড়া যদি কয়েক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া যায়, তবে একটু অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। 

আর যদি এখনই কিনতে হয়, তবে নির্ধারিত মূল্যের বদলে কিছুটা ছাড়ে কেনা ভালো। দেশে প্রযুক্তিপণ্য কেনার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান মাল্টিমিডিয়া কিংডমে খোঁজ নিয়ে বর্তমান দাম ও ছাড়ের বিষয়টি যাচাই করে নিতে পারেন।

বই ধার ও উন্মুক্ত ফরম্যাটের জন্য সেরা: কোবো ক্লারা বিডব্লিউ
কোবো মূলত একটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে তারা ই-রিডার তৈরি করে থাকে, যা মূলত লাইব্রেরি থেকে বই ধার করে পড়া পাঠকদের জন্য। সরাসরি ই-পাব সাপোর্ট, বিল্ট-ইন ওভারড্রাইভ সুবিধা এবং ইন্টারফেসে কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন না থাকার কারণে কোবো ক্লারা বিডব্লিউ (Kobo Clara BW) অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক একটি ডিভাইস। এটি মূলত ৬ ইঞ্চির একটি রিডার, যা কেনার আগে বিবেচনায় রাখা উচিত। 

যারা ৬.৮ বা ৭ ইঞ্চির স্ক্রিন ব্যবহার করে অভ্যস্ত, তারা এই ছোট সাইজটি খেয়াল করবেন, বিশেষ করে পিডিএফ বা বড় প্রবন্ধ পড়ার সময়। তবে ছোট আকারের কারণে এটি এক হাতে ধরে রাখা অত্যন্ত আরামদায়ক এবং দীর্ঘক্ষণ পড়লেও হাত ব্যথা হয় না। মাল্টিমিডিয়া কিংডমে থাকা কিণ্ডলের মতো ডিভাইসের তুলনায় এর হালকা গড়ন অনেক পাঠককেই আকৃষ্ট করে।

নির্দিষ্ট ইকোসিস্টেমের বাইরে সেরা প্রিমিয়াম রিডার: পকেটবুক এরা
অ্যামাজন বা কোবো যেখানে সেবা দেয় না, ঠিক সেই জায়গাটিই দখল করেছে পকেটবুক (PocketBook)। যেসব পাঠকের সংগ্রহে নানা ধরনের ফরম্যাটের বই রয়েছে এবং যারা কোনো নির্দিষ্ট স্টোরের বেড়াজালে আটকে না থেকে ভালো হার্ডওয়্যার চান, তাদের জন্যই এই ডিভাইস। 

পকেটবুক এরা (PocketBook Era) ৭ ইঞ্চির প্যানেলের সাথে ফিজিক্যাল পেজ-টার্ন বোতাম এবং ই-পাব, পিডিএফ, মোবি থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের ফরম্যাট সাপোর্ট করে। এমনকি এতে অ্যাডোবি এবং এলসিপি ডিআরএম সাপোর্টও রয়েছে। 

সরাসরি যেকোনো বই কনভার্ট করা ছাড়াই পড়া যায় বলে এটি অনেকেরই প্রথম পছন্দ। এর লাইট সংস্করণে কিছুটা দাম কমিয়ে স্পিকার বাদ দেওয়া হয়েছে, তবে পড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব ফিচারই এতে রয়েছে।

অ্যান্ড্রয়েডের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা: বুক্স গো ৭
যারা কোনো একটি নির্দিষ্ট লাইব্রেরির বদলে বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে বই পড়েন, তাদের জন্য বুক্স গো ৭ (Boox Go 7) একটি আদর্শ পছন্দ। অ্যান্ড্রয়েড ১৩ এবং গুগল প্লে সাপোর্ট থাকার কারণে এতে কিণ্ডল, কোবো বা লিবি অ্যাপ থেকে শুরু করে ব্রাউজার- সবকিছুই একসাথে ব্যবহার করা যায়। এর ফিজিক্যাল বাটন এবং কার্টা ১৩০০ প্যানেল একে অন্যান্য অ্যান্ড্রয়েড ই-ইঙ্ক ডিভাইসের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে রেখেছে।

সেরা পকেট-সাইজ ডিভাইস: বুক্স পালমা ২ ও এক্সট্রিংক এক্স৪ প্রো
পকেট ক্যাটাগরিতে বাজারে ভ্যারিয়েশন সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে। বুক্স পালমা ২ (Boox Palma 2) একটি দারুণ পালিশ করা স্মার্টফোন আকৃতির অ্যান্ড্রয়েড রিডার, যা অনায়াসেই জ্যাকেটের পকেটে এঁটে যায় এবং দিনের ব্যস্ততার ফাঁকে পড়ার জন্য ফোন ব্যবহারের একটি চমৎকার বিকল্প হতে পারে। এটি প্রধান রিডারের বদলে দ্বিতীয় ই-রিডার হিসেবেই বেশি মানানসই। 

এর বিপরীতে এক্সট্রিংক এক্স৪ প্রো (Xteink X4 Pro)-এর মতো ছোট নির্মাতাদের তৈরি বেশ কিছু সাশ্রয়ী রিডারও বাজারে রয়েছে। নতুন এই মডেলটিতে ফ্রন্ট লাইট যুক্ত করা হয়েছে, যা এর আগের মডেলে ছিল না। যারা অফিশিয়াল ই-রিডার খুঁজছেন তাদের জন্য বাংলাদেশের বাজারে মাল্টিমিডিয়া কিংডমে প্রায় সকল ব্র্যান্ডের ই-রিডারই রয়েছে।

ডকুমেন্ট পড়ার জন্য: পকেটবুক ইঙ্কপ্যাড ওয়ান
সাধারণত ১০.৩ ইঞ্চির ই-ইঙ্ক ডিভাইসগুলো মূলত নোট নেওয়ার ট্যাবলেট হিসেবে কাজ করে, যেখানে পড়ার সুবিধাও থাকে। কিন্তু পকেটবুক ইঙ্কপ্যাড ওয়ান (PocketBook InkPad One) এর ঠিক উল্টো- এটি মূলত পড়ার জন্যই তৈরি একটি ডিভাইস, যেখানে অ্যান্ড্রয়েডের বদলে পকেটবুকের লিনাক্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে। 

ছোট ডিভাইসের ৩০০ পিপিআই-এর বদলে এতে ২২৬ পিপিআই রেজ্যুলিউশন দেওয়া হলেও এর নমনীয় প্লাস্টিক ব্যাক প্যানেল একে হাত থেকে পড়ে ভাঙার হাত থেকে রক্ষা করে। যারা নিয়মিত পিডিএফ, রিসার্চ পেপার বা টেকনিক্যাল ডকুমেন্ট পড়েন, তাদের জন্য এটি সাধারণ ট্যাবলেটের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর। 

এখনই কেনা উচিত নাকি অপেক্ষা করা ভালো?
এটি এমন একটি প্রশ্ন, যার উত্তর যেকোনো স্পেসিফিকেশনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি পুরোপুরি নির্ভর করছে আপনি কোন ব্র্যান্ডের ডিভাইস কিনতে চাইছেন তার ওপর। কিন্ডলের ক্ষেত্রে অপেক্ষা করাই ভালো সিদ্ধান্ত। বছরের শেষের দিকে পেপারহাইট, সিগনেচার এডিশন এবং বেস মডেলসহ পুরো কিন্ডল পরিবার নতুন করে বাজারে আসার কথা রয়েছে। তাই এখনই পুরোনো মডেলটি কেনা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। তবে ভালো কোনো ছাড় পেলে ২০২৪ সালের সংস্করণটি নিশ্চিন্তে কিনে নিতে পারেন। 

অন্যদিকে কোবো বা পকেটবুকের ক্ষেত্রে অপেক্ষার তেমন কোনো কারণ নেই। কোবোর নতুন কোনো মনোক্রোম মডেল আসার স্পষ্ট কোনো আভাস নেই, আর পকেটবুক বা বুক্স তাদের নিজস্ব সময়সূচি অনুযায়ী নতুন ডিভাইস আনে।

পাঠকদের জন্য মূল কথা
বাজেট বিবেচনার বিষয় না হলে, সার্বিকভাবে কিন্ডল পেপারহাইট এখনো সেরা একবর্ণের রিডার, তবে বছর শেষে নতুন মডেল আসার সম্ভাবনা থাকায় এখন ছাড়ের জন্য অপেক্ষা করা বা নতুন মডেল আসা পর্যন্ত ধৈর্য ধরা উচিত। 

আর যারা সাশ্রয়ী বাজেটে আধুনিক হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার একং এক প্ল্যাটফর্মে সীমাবদ্ধ না থাকার স্বাধীনতা পেতে চান তাদের জন্য বহু বিকল্প ব্র্যান্ড রয়েছে। কেনার আগে মাল্টিমিডিয়া কিংডম এর ই-রিডার ক্যাটাগরিতে এসকল ব্র্যান্ডের প্রায় সকল পণ্যই পেয়ে যাবেন।


লাইব্রেরি থেকে বই ধার করতে এবং ই-পাব ফরম্যাটের জন্য কোবোর একমাত্র মনোক্রোম মডেল কোবো ক্লারা বিডব্লিউ সবচেয়ে শক্তিশালী বিকল্প। 

অন্যদিকে নির্দিষ্ট ইকোসিস্টেমের বাইরে যারা বিভিন্ন ফরম্যাটের বই পড়তে চান, তাদের জন্য পকেটবুক দারুণ কাজ করবে, বিশেষ করে এর এরা লাইট (Era Lite) সংস্করণটি বেশ সাশ্রয়ী। 

যারা ডিভাইসের টিউনিং বা কাস্টমাইজেশন পছন্দ করেন, তারা বুক্স-এর অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ উপভোগ করবেন। 

আর পকেট রিডারগুলো হার্ডওয়্যারের দিক থেকে অনেক উন্নত হলেও এগুলোকে প্রধান রিডারের বদলে দ্বিতীয় রিডার হিসেবে ব্যবহার করাই বেশি যুক্তিসঙ্গত।

কোথায় পাবেন?
সেরা আফটার সেলস সাপোর্টসহ সম্পূর্ণ নিশ্চিন্তে অরিজিনাল ই-রিডার কেনার জন্য মাল্টিমিডিয়া কিংডম-এ যোগাযোগ করাই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমত্তার সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশের ই-বুকপ্রেমী ও প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য আমরাই (মাল্টিমিডিয়া কিংডম) শীর্ষস্থানীয় সকল ব্র্যান্ডের ই-রিডার বিশ্বস্ততার সাথে বাজারজাত করে আসছি। কেবল বিক্রিই নয়, বিক্রয়োত্তর সেবা বা আফটার সেলস সাপোর্ট এবং ডিভাইসটির জন্য প্রয়োজনীয় অরিজিনাল অ্যাক্সেসরিজের (যেমন কাভার, স্টাইলাস নিব) জন্য মাল্টিমিডিয়া কিংডম দেশের গ্রাহকদের কাছে সবচেয়ে আস্থাশীল নাম।

        তাই, যেকোনো ই-রিডার কেনার আগে জেনে-বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে আজই ভিজিট করুন মাল্টিমিডিয়া কিংডমের ওয়েবসাইট কিংবা স্টোরে। অথবা সরাসরি কথা বলুন (+8801755532345) আমাদের সিইও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জুয়েল-এর সাথে।

কেনো মাল্টিমিডিয়া কিংডম?

২৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমাদের প্রতিষ্ঠান ‘মাল্টিমিডিয়া কিংডম’ বাংলাদেশে ডিজিটাল রিডিং, রাইটিং, ক্রিয়েটিভিটি, প্রিমিয়াম ও হাই-ফাই অডিও এবং পেশাদার প্রযুক্তির এক নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত ঠিকানা হিসেবে সেবা দিয়ে আসছে।

আমরা স্বগৌরবের সাথে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোকে বাংলাদেশের বাজারে সরবরাহ করে আসছি- যার মধ্যে রয়েছে BOOX, PocketBook, Bigme, Wacom, XP-Pen, Huion, Xencelab, Xteink, Audio-Technica, Fosi Audio, Sonos, Swan, WiiM, Obsbot, Czur, DJI, Insta360, Cammpro, Digidraw-সহ আরও নানা বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড

তাই ই-রিডার, গ্রাফিক্স ট্যাবলেট, হাই-ফাই অডিও সিস্টেম, কনটেন্ট ক্রিয়েশন গিয়ার কিংবা পেশাদার প্রযুক্তির সেরা সমাধান খুঁজছেন? আপনার যেকোনো প্রয়োজনে আমরা আছি সবসময় আপনার পাশে!