বইয়ের কালচে অক্ষরের সাথে মানুষের সখ্যতা যুগান্তরের। প্রযুক্তির অবিরাম পথচলায় সেই ছাপার অক্ষরের ঘ্রাণ আজ ডিজিটাল স্ক্রিনে এসে ঠেকেছে, যেখানে চোখের প্রশান্তি আর অত্যাধুনিক সুবিধার এক অপূর্ব সেতুবন্ধন হলো ই-রিডার। তবে গতানুগতিক ই-রিডারের ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে যারা পড়া, দেখা এবং যোগাযোগের একটি সমন্বিত মাধ্যম খুঁজছেন, তাদের জন্য বাজারে এসেছে বিগমি বি৭ প্রো (Bigme B7 PRO)। এই মডেলটি কালার এবং সাদা-কালো উভয় সংস্করণে থাকলেও আজ আমরা কথা বলো কালার সংস্করণটি নিয়ে। 

বিগমি বি৭ প্রো (Bigme B7 PRO) কেবল একটি সাধারণ রিডিং ডিভাইস নয়, বরং অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এবং ফোর-জি (4G) কলিং সুবিধাসম্পন্ন একটি পূর্ণাঙ্গ রঙিন ই-পেপার ফোন ট্যাবলেট।

ডিভাইস পরিচিতি
বিগমি বি৭ প্রো ডিভাইসটি তথ্যপ্রযুক্তি জগতে এক নতুন ধারার সূচনা করেছে। যারা স্মার্টফোনের আসক্তি কমাতে চান কিন্তু দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য স্মার্ট ডিভাইসের অভাব বোধ করেন, এটি তাদের জন্য একটি আদর্শ সমাধান। এই ডিভাইসে ই-ইঙ্ক প্রযুক্তির সাথে আধুনিক ট্যাবলেটের কার্যকারিতা যুক্ত করা হয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড ১৪ অপারেটিং সিস্টেম চালিত এই ডিভাইসে আপনি চাইলেই গুগল প্লে স্টোর থেকে প্রয়োজনীয় যেকোনো অ্যাপ্লিকেশন নামিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন।



আনবক্সিং
ডিভাইসটির মোড়ক উন্মোচন বা আনবক্সিং করার অভিজ্ঞতাটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রিমিয়াম। সুদৃশ্য এবং মজবুত বক্স খুললেই প্রথমেই চোখে পড়ে ডিভাইসটি, যা খুব যত্নের সাথে একটি সুরক্ষামূলক আবরণে রাখা থাকে। বক্সের ভেতরে ডিভাইসের পাশাপাশি একটি উচ্চমানের টাইপ-সি চার্জিং ক্যাবল, সিম খোলার জন্য একটি ইজেক্টর পিন, প্রয়োজনীয় ইউজার ম্যানুয়াল এবং ওয়ারেন্টি কার্ড দেওয়া থাকে। প্যাকেজিংয়ের প্রতিটি স্তরে আভিজাত্য এবং পরিবেশবান্ধব উপকরণের ছোঁয়া লক্ষ্য করা যায়।

ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি
বিগমি বি৭ প্রো-এর ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি এককথায় অসাধারণ। মাত্র প্রায় ২১৫ গ্রাম ওজন এবং প্রায় ৫.৮ মিলিমিটার পুরুত্বের কারণে এটি দীর্ঘ সময় হাতে ধরে পড়লেও ক্লান্তি অনুভূত হয় না। অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম ও উন্নত মানের নির্মাণশৈলী ডিভাইসটিকে একই সঙ্গে মজবুত এবং আকর্ষণীয় করে তুলেছে।



ডিভাইসটির পাশে রাখা হয়েছে একাধিক সফট-কি, যেগুলো বিভিন্ন শর্টকাটের মাধ্যমে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে সহায়তা করে। এছাড়া পেজ টার্নিং, নোট নেওয়া কিংবা এক হাতে ব্যবহার—সব ক্ষেত্রেই এর এরগোনমিক নকশা ব্যবহারকারীর সুবিধাকে গুরুত্ব দিয়েই তৈরি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রিভিউতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বহনযোগ্যতা, পাতলা গঠন এবং এক হাতে আরামদায়ক ব্যবহারের কারণে এটি প্রতিদিনের যাতায়াত, অফিস কিংবা শিক্ষাজীবনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি ডিভাইস।

ডিসপ্লে ও রিডিং অভিজ্ঞতা
একটি ই-রিডারের প্রাণ হলো তার ডিসপ্লে। আর এই দিক থেকেই Bigme B7 PRO নিজেকে আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৭ ইঞ্চির সর্বাধুনিক E Ink Kaleido 3 রঙিন ডিসপ্লে, যা কাগজে পড়ার অনুভূতির খুব কাছাকাছি অভিজ্ঞতা দেয়। সরাসরি সূর্যের আলোতেও পর্দা স্পষ্ট দেখা যায় এবং দীর্ঘ সময় পড়লেও চোখে ক্লান্তি তৈরি হয় না। প্রচলিত এলসিডি বা ওএলইডি পর্দার মতো এখানে ব্যাকলাইটের তীব্রতা নেই; বরং ফ্রন্ট লাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী উজ্জ্বলতা এবং রঙের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ফলে দিনের আলো কিংবা রাতের নরম পরিবেশ- দুই অবস্থাতেই পড়ার অভিজ্ঞতা থাকে আরামদায়ক।

এই ডিসপ্লের সাদা-কালো রেজ্যুলিউশন ১৬৮০ × ১২৬৪ পিক্সেল, যার ঘনত্ব ৩০০ পিপিআই। ফলে ছোট ফন্টও অত্যন্ত ধারালো ও পরিষ্কার দেখা যায়। রঙিন কনটেন্টের ক্ষেত্রে রেজ্যুলিউশন ৮৪০ × ৬৩২ পিক্সেল এবং প্রায় ১৫০ পিপিআই ঘনত্বে ছবি, চার্ট, ম্যাগাজিন, কমিকস কিংবা শিক্ষামূলক উপকরণ প্রাণবন্তভাবে উপস্থাপিত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, Kaleido 3 প্রযুক্তি আগের প্রজন্মের তুলনায় আরও উজ্জ্বল রঙ, উন্নত কনট্রাস্ট এবং দ্রুত রিফ্রেশ রেট নিশ্চিত করে। ফলে শুধু বই নয়, রঙিন পিডিএফ, উপস্থাপনা কিংবা ডকুমেন্ট পড়াও অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়ে ওঠে।

ডিসপ্লেটি ৪,০৯৬টি পর্যন্ত রঙ প্রদর্শন করতে সক্ষম। ই-ইঙ্ক প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এই রঙের উপস্থাপন যথেষ্ট প্রাকৃতিক এবং বাস্তবসম্মত। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে, কমিকস, শিশুদের বই, বৈজ্ঞানিক চিত্র, ইনফোগ্রাফিক এবং রঙভিত্তিক নোট পড়ার ক্ষেত্রে Bigme B7 PRO বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ৭ ইঞ্চির রঙিন ই-ইঙ্ক ডিভাইসগুলোর একটি।



পারফরম্যান্স
পারফরম্যান্সের দিক থেকে বিগমি বি৭ প্রো একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ডিভাইস। এতে রয়েছে একটি দ্রুতগতির অক্টা-কোর প্রসেসর, যা প্রতিটি কাজকে অত্যন্ত মসৃণভাবে সম্পন্ন করে। বইয়ের পাতা উল্টানো থেকে শুরু করে মাল্টিটাস্কিং বা একাধিক অ্যাপের ব্যবহার- সবকিছুতেই এটি অভাবনীয় দ্রুতগতি প্রদান করে। অ্যান্ড্রয়েড ১৪ অপারেটিং সিস্টেম থাকায় এর ইউজার ইন্টারফেস অত্যন্ত আধুনিক এবং ব্যবহারকারীবান্ধব। কোনো প্রকার ল্যাগ বা ধীরগতি ছাড়াই ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল চেক করা বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের এক অনন্য অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় এই ডিভাইসে।

ভ্যারিয়েন্ট ও কালার
গ্রাহকদের ভিন্ন ভিন্ন চাহিদা এবং রুচির কথা মাথায় রেখে বিগমি বি৭ প্রো ডিভাইসটিকে র‍্যাম, রম বা স্টোরেজ এবং রঙের চমৎকার সব বৈচিত্র্যে বাজারে আনা হয়েছে। মেমোরি কনফিগারেশনের ওপর ভিত্তি করে ডিভাইসটি দুটি আকর্ষণীয় ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যায়—একটি হলো ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ এবং অপরটি হলো ৮ জিবি র‍্যাম ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজ। উভয় সংস্করণেই প্রয়োজনে টিএফ (মাইক্রোএসডি) কার্ডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২ টেরাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ বাড়ানো যায়। ফলে বিশাল আকারের ই-বুক লাইব্রেরি, গবেষণাপত্র, অডিওবুক, নোট কিংবা অন্যান্য নথি সংরক্ষণে কোনো সীমাবদ্ধতা থাকে না।

এছাড়া রঙের ক্ষেত্রেও রয়েছে চমৎকার সব অপশন। ব্যবহারকারীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী ব্লু, গ্রে, গ্রিন, পিংক এবং পার্পল- এই পাঁচটি নজরকাড়া কালার বা রঙের মধ্য থেকে নিজেদের পছন্দেরটি বেছে নিতে পারবেন।



স্টাইলাস ও নোট নেওয়ার অভিজ্ঞতা
বিগমি বি৭ প্রো (Bigme B7 PRO) কেবল একটি ই-রিডার নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল নোটবুকও। ডিভাইসটির সঙ্গে থাকা স্টাইলাসের মাধ্যমে হাতের লেখা নোট নেওয়া, ডায়াগ্রাম আঁকা, বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশে দাগ দেওয়া কিংবা গবেষণাপত্রে মন্তব্য যোগ করা অত্যন্ত সহজ।

স্টাইলাসটি চাপ-সংবেদনশীল হওয়ায় লেখার সময় স্বাভাবিক কলমের অনুভূতি পাওয়া যায়। লেখার প্রতিক্রিয়া দ্রুত এবং লেটেন্সি খুবই কম। ফলে দীর্ঘ সময় নোট নেওয়ার ক্ষেত্রেও ব্যবহারকারী স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করেন।

নোট নেওয়ার সফটওয়্যারটিতে একাধিক টেমপ্লেট, বিভিন্ন ধরনের কলম, মার্কার, ব্রাশ, ইরেজার, ল্যাসো টুল এবং লেয়ার ব্যবস্থাপনা রয়েছে। ব্যক্তিগত ডায়েরি, অফিস মিটিং, ক্লাস নোট কিংবা গবেষণার খসড়া—সব ক্ষেত্রেই এটি কার্যকর।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হাতে লেখা নোটকে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তরের সুবিধা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক এই প্রযুক্তি বিভিন্ন ভাষার লেখা শনাক্ত করে সম্পাদনাযোগ্য লেখায় রূপান্তর করতে সক্ষম। আন্তর্জাতিক ব্যবহারকারীরা এই ফিচারের নির্ভুলতা এবং ব্যবহারিক সুবিধার প্রশংসা করেছেন।

কানেক্টিভিটি ও সেন্সর
কানেক্টিভিটি ফিচারে এটি বাজারের অন্যান্য ই-রিডার থেকে যোজন যোজন এগিয়ে। এতে রয়েছে ফোর-জি কলিং সুবিধা, যার মাধ্যমে সরাসরি সিম কার্ড ব্যবহার করে কথা বলা যায়। এর পাশাপাশি উন্নত ওয়াই-ফাই এবং ব্লুটুথ সংযোগ থাকায় ইন্টারনেট এবং অন্যান্য ওয়্যারলেস ডিভাইসের সাথে যুক্ত হওয়া অত্যন্ত সহজ। অডিওর জন্য এতে রয়েছে উন্নতমানের স্পিকার এবং মাইক্রোফোন, যা অডিওবুক শোনা বা ভয়েস কলের জন্য দারুণ কার্যকরী। এছাড়াও ডিভাইসটিতে রয়েছে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন স্মার্ট সেন্সর, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিন রোটেশন বা আলো নিয়ন্ত্রণের মতো কাজগুলো নিখুঁতভাবে করে থাকে।



অডিও, ক্যামেরা ও অন্যান্য সুবিধা
বিগমি বি৭ প্রো (Bigme B7 PRO)-তে বিল্ট-ইন স্পিকার ও মাইক্রোফোন রয়েছে, যা অডিওবুক শোনা, ভয়েস নোট রেকর্ড করা এবং অনলাইন যোগাযোগের ক্ষেত্রে সুবিধা দেয়। ব্লুটুথের মাধ্যমে ওয়্যারলেস হেডফোন বা স্পিকারও সহজেই সংযুক্ত করা যায়।

ডিভাইসটিতে ক্যামেরাও সংযুক্ত রয়েছে, যা ডকুমেন্ট স্ক্যান, ছবি তুলে দ্রুত নোটে যুক্ত করা কিংবা ওসিআর প্রযুক্তির মাধ্যমে মুদ্রিত লেখাকে সম্পাদনাযোগ্য টেক্সটে রূপান্তরের কাজে সহায়তা করে।

এছাড়া এতে রয়েছে জি-সেন্সর, স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিন রোটেশন, বিভিন্ন ধরনের রিফ্রেশ মোড, স্মার্ট ফ্রন্ট লাইট নিয়ন্ত্রণ এবং বহুমাত্রিক নিরাপত্তা সুবিধা। প্রতিটি উপাদানই ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করে।

অপারেটিং সিস্টেম
বিগমি বি৭ প্রো (Bigme B7 PRO)-এর অন্যতম বড় আকর্ষণ হলো এটি অ্যান্ড্রয়েড ১৪-চালিত একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম। ফলে নিজের প্রয়োজনীয় অ্যাপও সহজেই ইনস্টল করা যায়। কিন্ডল, কোবো, গুগল প্লে বুকস, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের অ্যাপ, ক্লাউড স্টোরেজ, অফিস অ্যাপ কিংবা নোট ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার- সবই একই ডিভাইসে ব্যবহার করা যায়। ফলে একাধিক ডিভাইস বহনের প্রয়োজন কমে আসে এবং কাজের ধারাবাহিকতাও বজায় থাকে।

ব্যাটারি
একটি পোর্টেবল ডিভাইসের প্রাণ হলো এর ব্যাটারি লাইফ। বিগমি বি৭ প্রো-তে ৩০০০ এমএএইচের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ব্যাটারি যুক্ত করা হয়েছে। ই-ইঙ্ক প্রযুক্তির কারণে এটি এমনিতে অনেক কম চার্জ খরচ করে। একবার সম্পূর্ণ চার্জ করলে সাধারণ ব্যবহারে এটি দীর্ঘ দিন অনায়াসে চলে যায়। আর দ্রুত চার্জিংয়ের জন্য এর টাইপ-সি পোর্টটি খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ফলে ভ্রমণের সময় বারবার চার্জ দেওয়ার দুশ্চিন্তা থেকে পুরোপুরি মুক্ত থাকা যায়।



একনজরে Bigme B7 PRO
•    ডিসপ্লে: ৭ ইঞ্চি E Ink Kaleido 3 Color Display 
•    সাদা-কালো রেজ্যুলিউশন: ১৬৮০ × ১২৬৪ (৩০০ PPI) 
•    রঙিন রেজ্যুলিউশন: ৮৪০ × ৬৩২ (১৫০ PPI) 
•    অপারেটিং সিস্টেম: Android 14 + Bigme OS 5.0 
•    প্রসেসর: ২.৪ গিগাহার্টজ অক্টা-কোর 
•    র‍্যাম: ৪ জিবি / ৮ জিবি 
•    স্টোরেজ: ৬৪ জিবি / ২৫৬ জিবি 
•    স্টোরেজ সম্প্রসারণ: মাইক্রোএসডি কার্ডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২ টেরাবাইট 
•    ব্যাটারি: ২,৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-ঘণ্টা 
•    কানেক্টিভিটি: ৪জি, Wi-Fi, Bluetooth 5.0, USB Type-C 
•    জিপিএস: GPS, A-GPS, GLONASS, BeiDou 
•    স্টাইলাস: সমর্থিত 
•    স্পিকার ও মাইক্রোফোন: রয়েছে 
•    ক্যামেরা: রয়েছে 
•    ওজন: প্রায় ২১৫ গ্রাম 
•    রঙ: Blue, Gray, Green, Pink, Purple

যাদের জন্য এটি উপযুক্ত
বিগমি বি৭ প্রো (Bigme B7 PRO) তাদের জন্যই সবচেয়ে উপযুক্ত, যারা প্রচুর বই পড়েন কিন্তু একই সাথে স্মার্টফোনের অত্যাবশ্যকীয় ফিচারগুলোও হাতের মুঠোয় রাখতে চান। শিক্ষার্থী, গবেষক, শিক্ষক বা কর্পোরেট পেশাজীবী- যারা দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে কাজ করেন, এই ডিভাইসটি তাদের চোখের সম্পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। এটি এমন একটি আদর্শ গ্যাজেট, যা আপনার ই-রিডিং অভিজ্ঞতাকে রঙিন করার পাশাপাশি দৈনন্দিন যোগাযোগের সব মাধ্যমকে একটি সিঙ্গেল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসবে।



কোথায় পাবেন?

বাংলাদেশের ই-বুকপ্রেমী ও প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য আমরাই (মাল্টিমিডিয়া কিংডম) পকেটবুকসহ শীর্ষস্থানীয় সকল ব্র্যান্ডের ই-রিডার বিশ্বস্ততার সাথে বাজারজাত করে আসছি। অফিশিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে আমাদের কাছেই পেয়ে যাবেন বিগমি বি৭ প্রো (Bigme B7 PRO) ডিভাইসটি। কেবল বিক্রিই নয়, বিক্রয়োত্তর সেবা বা আফটার সেলস সাপোর্ট এবং ডিভাইসটির জন্য প্রয়োজনীয় অরিজিনাল অ্যাক্সেসরিজের জন্য মাল্টিমিডিয়া কিংডম দেশের গ্রাহকদের কাছে সবচেয়ে আস্থাশীল নাম।

        তাই, যেকোনো ই-রিডার কেনার আগে জেনে-বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে আজই ভিজিট করুন মাল্টিমিডিয়া কিংডমের ওয়েবসাইট কিংবা স্টোরে। অথবা সরাসরি কথা বলুন (+8801755532345) আমাদের সিইও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জুয়েল-এর সাথে।


কেনো মাল্টিমিডিয়া কিংডম?

২৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমাদের প্রতিষ্ঠান ‘মাল্টিমিডিয়া কিংডম’ বাংলাদেশে ডিজিটাল রিডিং, রাইটিং, ক্রিয়েটিভিটি, প্রিমিয়াম ও হাই-ফাই অডিও এবং পেশাদার প্রযুক্তির এক নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত ঠিকানা হিসেবে সেবা দিয়ে আসছে।

আমরা স্বগৌরবের সাথে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোকে বাংলাদেশের বাজারে সরবরাহ করে আসছি- যার মধ্যে রয়েছে BOOX, PocketBook, Bigme, Wacom, XP-Pen, Huion, Xencelab, Xteink, Audio-Technica, Fosi Audio, Sonos, Swan, WiiM, Obsbot, Czur, DJI, Insta360, Cammpro, Digidraw-সহ আরও নানা বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড

তাই ই-রিডার, গ্রাফিক্স ট্যাবলেট, হাই-ফাই অডিও সিস্টেম, কনটেন্ট ক্রিয়েশন গিয়ার কিংবা পেশাদার প্রযুক্তির সেরা সমাধান খুঁজছেন? আপনার যেকোনো প্রয়োজনে আমরা আছি সবসময় আপনার পাশে!